Homeঅপরাধ ও আইনআলীকদমে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত সৎ নানা

আলীকদমে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত সৎ নানা

আলীকদম সংবাদদাতা

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির সৎ নানাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। উপজেলার ৩ নং নয়াপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মংচাপাড়া এলাকায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে ২টার মধ্যে মংচাপাড়া এলাকার একটি বসতঘরে নাস্তার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে শিশুটিকে দ্রুত আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকের মাধ্যমে শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশের পরিদর্শন

ঘটনার খবর পেয়ে আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ পারভেজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে শিশুটির চিকিৎসার বিষয়েও খোঁজ নেন।

এ সময় ওসি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত আবাসিক মেডিকেল অফিসারের (আরএমও) সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে তথ্য নেন বলে জানা গেছে। পুলিশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিও পরিদর্শন করে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

আলীকদম থানার ওসি শাহেদ পারভেজ বলেন, “ঘটনাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী এ ঘটনায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্যতা এবং দায়-দায়িত্ব নির্ধারিত হবে।

শিশুটির পরিচয় ও তার পরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments