ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা
সুবাস চন্দ্র, বদলগাছি (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলা হাটে কৃষি পুণ্যের উপর প্রতি মনে ২ থেকে ৩ কেজি বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাটের পাইকারি ক্রেতাদের বিরুদ্ধে।
গত ২৭ ই এপ্রিল কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বাজার সংযোগ শাখা ১ থেকে নাসির উদ দৌলা, মহাপরিচালক অতিরিক্ত দায়িত্বে। ১টি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় প্রজ্ঞাপনটিতে বলা হয়েছে দেশের বিভিন্ন হাট বাজারে পিয়াজ ও আমসহ অন্যান্য কৃষি পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের সময় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগী পুণ্যের ওজনের ক্ষেত্রে তারা প্রচলিত ধলতা বা শুকনা গ্রহণের অজুহাতে কৃষকদের বাধ্য করে পতি ৪০ কেজিতে ২ থেকে ৬ কেজি পর্যন্ত অতিরক্ত পূর্ণ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। যা অনৈতিক এবং ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন ২০১৮ এর অধ্যায় ৪ ধারা ২৯ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
বদলগাছী উপজেলা কোলা,বালুভরা, ভান্ডার পুর ও বদলগাছী হাটে দেখা মিলে তার ভিন্ন চিত্র প্রতি মনে ২ থেকে ৩ কেজি অতিরিক্ত পুণ্য বেশি নেওয়া হচ্ছে এবং কৃষকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক খাজনা ও কাটা হচ্ছে। তারা সরকারি প্রজ্ঞাপন টির কোন তোয়াক্কা না করেই এমন সিন্ডিকেট করছেন বলে মনে করে কৃষকরা। কৃষকরা বলে, আমাদের রক্ত ঘামিয়ে উৎপাদন করা এই পণ্যগুলো হাটে বেচতে এলে অতিরিক্ত দিতে হয় ২ থেকে ৩ কেজি। এটা নিয়ে প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন অজুহাতে এবং আমার পূর্ণ ভাল নয় বলে প্রতি মনে ৫ থেকে ৭ কেজি বাছাই করে বাদ দেয় তারা।
কৃষকরা আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার সুন্দর একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কৃষকদের জন্য। কিন্তু বাস্তবে তা সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ না করার কারণে অতিরক্ত প্রতি মনে ২ থেকে ৩ কেজি কৃষি পণ্য বেশি দিতে হচ্ছে আমাদের।





