Homeদুর্ঘটনালামায় আগুনে পুড়ে গেছে ফারুকের বসতঘর

লামায় আগুনে পুড়ে গেছে ফারুকের বসতঘর

মো. ইসমাইলুল করিম


পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ড সুতাবাদী পাড়ায় রাতে চুলা থেকে হঠাৎ আগুনে পুড়ে মেহেরা নেছা বসতঘর (প্রকাশ ফারুকের বাড়ি) পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেছে, তবে এই ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ৩০ মিনিটের ব্যবধানে পরিবার’টি এখন অসহায় হ’য়ে দাঁড়িয়েছে। (০৪ এপ্রিল ) শুক্রবার রাত ১২টায় ফাইতং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সুতাবাদী এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি হলেন, ফাইতং সুতাবাদী এলাকার মরহুম মোহাম্মদ ফারুক এর স্ত্রী মেহেরা নেছা।তার এখন অভাব-অনটনে যেখানে জীবন যায় যায় সেখানে এই ক্ষতি শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নিলেন আগুনে।ঘটনাস্থলে মেহেরা নেছা জানান, শুক্রবার রাতে হঠাৎ ঘরে চুলা থেকে অসতর্কতাবশত আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতঘর পুড়ে যায়। বসতঘরটি’তে দরিদ্র পরিবার বসবাস করতাম। চোখের সামনে সব কিছু পুড়ে এখন নিঃস্ব। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফাইতং যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতি লি: সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর আলম বলেন, খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাদের রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে যায় চুলা থেকে আগুন সূত্রপাত হয়ে আগুন লেগে যায়, তাদেরকে উদ্ধার ও আসবাবপত্র বের করে ব্যবস্থা করছি। আগুন নিয়ন্ত্রণ করে ফাইতং মানবিক মানুষ পক্ষ থেকে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। এবং সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে ও সরকারী সহায়তা দেয়ার জন্য জানান।পাশ্ববর্তী পুরুষ-মহিলারা জানান, ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে কিছু সময়ের মধ্যে বসতঘরটি পুড়ে যায়। আগুনের তীব্রতা কম হওয়ায় তাদের প্রচেষ্টা সফল হয়। এছাড়া এলাকাটিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকায় ফায়ার সার্ভিসকেও খবর দিতে দেরি হয়ে যায় তবে পাশ্ববর্তী লোকজনের বেশি সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনের। তবে আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোন কারণে হয়েছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেকে বলে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরটি চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বসতঘর পুড়ে গিয়ে প্রায় ০১ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে মোহাম্মদ রাশেল, মাহবুবুর আলম, বেলাল উদ্দিন,মোহাম্মদ রাকিম, রাশেদ,নুরুক হক,এরশাদ আলী, ফুরকান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরটি আগুন পুড়ছে আমরা পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করি। তার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা আশা করেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ০১ লাখ টাকারও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশ্ববর্তী লোকজন জানান, পাশ্ববর্তী তাদের খবর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিলেও পৌঁছার আগেই ঘরটির একপাশে ঘরের সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। স্থানীয়দের বরাতে রান্নার চুলা থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এমন জানান। তারা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে মানবিক সহযোগিতা চাই।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments