Homeঅর্থনীতি ও ব্যবসাএপেক্স বাংলাদেশের সেরা জেলা গভর্নর সৈয়দ মিয়া হাসান

এপেক্স বাংলাদেশের সেরা জেলা গভর্নর সৈয়দ মিয়া হাসান

মো. ইসমাইলুল করিম


আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠন এপেক্স বাংলাদেশের ৫০তম জাতীয় কনভেনশনে সারাদেশের ৯টি জেলার মধ্যে ডিস্ট্রিক্ট–৩ এর গভর্নর এপেক্সিয়ান সৈয়দ মিয়া হাসান বেস্ট ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর–২০২৫ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২৭ মার্চ খুলনায় অনুষ্ঠিত এ কনভেনশনে তার এই স্বীকৃতি ঘোষিত হয়, যা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পরিচালিত বিস্তৃত সেবা কার্যক্রমের একটি প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য জেলার বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়িকে কেন্দ্র করে ডিস্ট্রিক্ট–৩ গত এক বছরে যে বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে, তা এপেক্স বাংলাদেশের মধ্যে একটি কার্যকর ডিসেন্ট্রালাইজড সার্ভিস মডেল হিসেবে আলোচিত হয়েছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, নারী ক্ষমতায়ন, প্রযুক্তি এবং দারিদ্র্য বিমোচন—এই ছয়টি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পিত ও পরিমাপযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণই এ সাফল্যের মূল ভিত্তি।চট্টগ্রামের ফয়েজ লেক সি-ওয়ার্ল্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত স্মার্ট ভিত্তিক বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালে ডিস্ট্রিক্ট-৩ প্রায় ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকার সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে, যা ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ পর্যন্ত বেড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। সীমিত সম্পদকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে বৃহৎ পরিসরে মানবসেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে বিশ্লেষকদের কাছে।স্বাস্থ্যখাতে একাধিক সচেতনতা ক্যাম্পের মাধ্যমে করোনা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শিক্ষা খাতে ২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, স্কুলিং প্রোগ্রাম এবং ইন্টার-ক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়, যা নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এছাড়া মসজিদ, মাদরাসা, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও এতিমখানাসহ ৩০টির বেশি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সহায়তা প্রদান এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য, বস্ত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ ডিস্ট্রিক্ট–৩ এর সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে।সৈয়দ মিয়া হাসান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। সেবা, সুনাগরিকত্ব ও সৌহার্দ্যের আদর্শ নিয়ে আমরা মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।তিনি এ অর্জনের জন্য সকল ক্লাব প্রেসিডেন্ট, সদস্য, জাতীয় নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।বিশ্লেষকদের মতে, সীমিত সম্পদ, সুসংগঠিত নেতৃত্ব এবং তৃণমূলভিত্তিক পরিকল্পনার সমন্বয়ে ডিস্ট্রিক্ট–৩ একটি টেকসই সেবা কাঠামো গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে, যা ভবিষ্যতে এপেক্স বাংলাদেশের সার্বিক কার্যক্রমে নতুন দিকনির্দেশনা দিতে পারে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments