Homeসর্বশেষ খবরকছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া সংগীতানুষ্ঠান

কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া সংগীতানুষ্ঠান

মোঃ মাইনুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

উত্তর জনপদের প্রখ্যাত ভাওয়াইয়া শিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে ভাওয়াইয়া ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টায় পাঁচপীর ভাওয়াইয়া একাডেমির একাডেমি চত্বরে আব্বাসউদ্দীন মঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

১৯৯২ সালের ২২ আগস্ট ভোর ৫টার দিকে কুড়িগ্রামে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কছিম উদ্দিন। ভাওয়াইয়া গানের শিক্ষা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও গবেষণায় তাঁর অবদান উত্তরাঞ্চলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে স্মরণীয়।

ভাওয়াইয়া অঙ্গনে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একসময় অনেকে তাঁকে ‘ভাওয়াইয়া যুবরাজ’ হিসেবে অভিহিত করতেন। তাঁদের মতে, আব্বাসউদ্দীন আহমদ যদি ‘ভাওয়াইয়া সম্রাট’ হন, তাহলে কছিম উদ্দিনকে ‘ভাওয়াইয়া যুবরাজ’ বলা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাওয়াইয়া পরিষদ, উলিপুর, কুড়িগ্রামের সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার রায়, সাধারণ সম্পাদক ভূপতি ভূষণ বর্মা, স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও ভাওয়াইয়া শিল্পীরা।

এর আগে ২০২০ সালে রংপুর টাউন হলে কছিম উদ্দিনকে স্মরণে একটি আলোচনা ও ভাওয়াইয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে প্রায় ছয় শতাধিক শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন। রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে শতাধিক ভাওয়াইয়া শিল্পী ও বাদ্যযন্ত্রশিল্পী এতে অংশ নেন। তাঁদের পরিবেশনা ও উপস্থিতিতে টাউন হল মুখরিত হয়ে ওঠে।

মাটি ও মানুষের প্রাণের শিল্পী কছিম উদ্দিনের ৩৪তম প্রয়াণবার্ষিকীতে তাঁর পরিবার প্রয়াত শিল্পীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments