সানজিদা আক্তার রুনা, নাইক্ষংছড়ি প্রতিনিধি
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে আশ্রয় নেওয়া ঘরে আগুন দিয়ে মালিককে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরে বসবাসকারী সর্বজন শ্রদ্ধেয় মরহুম মাওলানা কলিম উল্লাহ হুজুরের আর ২৩নং খতিয়ানি জমিসহ মাতাখিলা ভোগদখলীয় প্রায় ৮/১০ একর জায়গায় পাহাদার হিসেবে সামান্য বাড়ায় চুক্তি মূলে পাহারাদার নিয়োগ দেন ইমান হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে। পরবর্তীতে ওই পাহারাদার ইমাম হোসেন কিছু কুচক্রি মহলের ইন্দনে লোভের বসবর্তী হয়ে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায়। আশপাশ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা, মোঃ শফি,নুরুল ইসলাম, ছুরুত আলম,শাহ আলম, মোঃ হোসাইন, এনামুল হকসহ অনেকে এই প্রতিবেদককে জানান,অভিযুক্ত ইমাম হোসেন সে একাধিক নামে পরিচিত, এলাকায় ইমাম হোসেন নামে পরিচয় থাকলেও তার শ্বশুর-শাশুড়িকে মা-বাপ বানিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে এনআইডি কার্ডে নাম ব্যবহার করছে মো: ইউনুস নামে। তবে আমরা তাকে রোহিঙ্গা ইন্না নামে চিনি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার ভূয়া এনআইডি কার্ডের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী নাইক্ষ্যংছড়ি নির্বাচন অফিসে একাধিক অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে আরও জানা যায়, বুধবার ৩জুন রাত
আনুমানিক ২টার দিকে মরহুম মাওলানা কলিম উল্লাহ হুজুরের তৈরি একটি খামারবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে ঐ ইমাম হোসেন। এতে খামারবাড়িটি আংশিক পুড়ে যায়। মরহুম মাওলানা কলিমুল্লাহর ছেলে মাওলানা জালাল উদ্দিন ফারুকী জানান, সকালে স্থানীয় কিছু মানুষের মাধ্যমে জানতে পারে তার খামার বাড়িতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। তার মতে তাদের জায়গায় নতুন পাহারাদার দেওয়ায়,পুরাতন পাহারাদার ইমাম হোসেন এই জমি দখলের উদ্দেশ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উল্লেখ যে গত ২০১৪/১৫ সালে মরহুম মৌলানা কলিম উল্লাহর তৈরির কৃত খামার বাড়িতে মো: ইউনুস প্রকাশ রোহিঙ্গা ইন্না জালিয়ে দিয়ে জনৈক শাহ আলম ও সুরুত আলমকে মামলা দেন। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এসআই রতন জানান, ভোররাতে ৯৯৯ এর ফোনের মাধ্যমে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি শোনে আমরা ভোর ছয়টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারি এখানে কোন বহিরাগত লোক আসে নি। তবে একটি ছোট্ট ঘর আগুনে পুড়ছে এটি সঠিক বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





