আমি তোমাকে অনেক মিস করব। তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা সময় আমি অনেক বেশি মিস করব। তুমি খুব যত্নবান একজন পুরুষ। খুব সুন্দর করে যত্ন করে রেখেছো আমাকে। আমি আন্তরিক ভাবে তোমাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কিভাবে যত্ন করতে হয় প্রিয় মানুষকে সেটা আমি তোমার কাছে শিখেছি। একটা মানুষ একটা মেয়েকে এত ভালো বাসতে পারে, তোমাকে না পেলে হয়তো আমার জানা হতো না। আমি কৃতজ্ঞ তোমার কাছে। চারমাসের সম্পর্কে তুমি আমার অনেক পাগলামী সহ্য করেছো। তোমাকে অনেক বেশি প্যারা দিয়েছি আমি। আমি জানি না তুমি কিভাবে আমার এত পাগলামী সহ্য করেছো। যখন, যা চেয়েছি তাই পেয়েছি, তোমার কাছে। একটা বাচ্চাকেও হয়তো কেউ এত আদর করে রাখে না যতটা আদর করে তুমি আমাকে রেখেছো। আমি খুব ভাগ্যবতী তোমার মতো মানুষের এত কাছে যেতে পেরে। তুমি অনেক সুন্দর করে কথা বলো, তোমার কথা শুনতে খুব ভালো লাগে।
তুমি অনেক যত্ন করে শাসন করো। তুমি এত ভালো কেন? তুমি খুব আন্তরিক। তোমাকে যে পাবে সে অনেক ভাগ্যবতী। তোমাকে যত্ন করতে ভালো লাগে। যদি পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত তোমাকে পাশে রেখে যত্ন করতে পারতাম। তোমাকে যখন খাবার মুখে তুলে খাইয়ে দেই তখন তুমি বাচ্চাদের মতো হয়ে যাও, খুব ভালো লাগে তোমাকে দেখতে। আমার জীবনের সেরা পুরুষ তুমি। জীবনে ঝামেলা থাকবেই, এটাই জীবন কিন্তু কখনো মন খারাপ করবে না। মনে রেখো তোমার মন খারাপ হয়তো অন্য কারো চোখে জল আনবে। মনে রেখো এই পৃথিবীতে একটি মেয়ে তোমাকে প্রচন্ড ভালোবাসতো এবং তোমার হতে চেয়েছিলো। তোমার প্রশংসা করে শেষ করা যাবে না। আমার কাছে তুমি এই পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম পুরুষ। তোমাকে আমি ভালোবাসি। নিজের যত্ন নিও, কখনো একা থেকো না। প্রিয় মানুষকে একবার হারিয়ে ফেললে আর ফিরে পাওয়া যায় না। এটাই চরম সত্য। নিজের যত্ন নিও। আমাকে মনে পড়লে আমাদের ছবি গুলো দেখো। আমি তোমার কাছে সারা জীবনের জন্য ঋণী থাকবো।
“আল্লাহ হাফেজ”
______________________ সৈয়দা ফারিয়া জাহান





