মফিজুর রহমান , পেকুয়া(কক্সবাজার) প্রতিনিধি
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পৌরসভা হিসেবে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ পেয়েছে কক্সবাজারের পেকুয়া। এ নিয়ে আনন্দের উল্লাস চলছে পুরো পেকুয়া জুড়ে।
১৯ মে (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ৮টায় পেকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার সর্বস্তরের জনসাধারণ ও বিএনপি সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে আনন্দ মিছিল বের হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম বাহাদুর শাহ’র নেতৃত্বে মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরে পেকুয়া চৌমুহনীস্হ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত পথসভার মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় আনন্দ উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠে সমাবেত বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবি মানুষ। ওইদিন স্থানীয় ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ ও সাধারণ নাগরিকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন আনন্দ মিছিলে।
পেকুয়ার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি চৌমহনীস্থ উপজেলা বিএনপির প্রধান কার্যালয়ের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত শোকরানা সভায় মিলিত হয়।
শোকরানা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম বাহাদুর শাহ বলেন, পেকুয়াবাসীর দীর্ঘদিনের একটি প্রাণের দাবি আজ পূরণ হলো। এই পৌরসভা ঘোষণার মধ্য দিয়ে অবহেলিত এই জনপদের আধুনিকায়ন, উন্নত নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আরও বেগবান হবে। এটি পেকুয়ার সর্বস্তরের মানুষের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল। আমরা একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন মডেল পৌরসভা গঠনে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাব।
পথসভায় পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, পেকুয়াকে পৌরসভা ঘোষণা করায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। পেকুয়াবাসীর এই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ও আধুনিক পেকুয়া বিনির্মাণের রূপকার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, স্বরাস্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই আজ পেকুয়াবাসী এই ঐতিহাসিক উপহার পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পৌরসভা গঠনের ফলে এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন অনেক দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে। এই অর্জন পেকুয়ার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বদলে দেবে।
শোকরানা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন পেকুয়া উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সানাউল্লাহ ।






