নিজস্ব প্রতিবেদক :
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের প্রতি বছরের মতো এবারও চৌধুরী মার্কেট সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে গঙ্গাপূজা ও বারুণী স্নান অনুষ্ঠিত হয়। এত অংশ নেন হাজার হাজার ভক্ত।সোমবার-মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকেই গঙ্গা পূজার উদযাপন কমিটি আর্শিবাদ সংঘের উদ্যাগে ১৬-১৮মার্চ তিন দিনব্যাপী শ্রী শ্রী গঙ্গা মায়ের বোধন, মহানাম যজ্ঞের শুভ অধিবাস, মহানামযজ্ঞ, বারুণীপূজা ও বারুণী স্নান, গঙ্গা মায়ের পূজা, ভোগারতি, গঙ্গামায়ের সন্ধ্যারতি, গঙ্গা আরতি ও হাজার প্রদীপ নিবেদন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দবাজারে মহাপ্রসাদ আস্বাদনসহ  নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

গঙ্গা পূজাতে বারুণী স্নানে অংশগ্রহণ করতে আসা পুণ্যার্থীরা জানান, চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথিতে (বারুণী) স্নান করা অত্যন্ত পুণ্যদায়ক। বারুণী স্নানে পাপ মোচন হয় এমন বিশ্বাস থেকে প্রতি বছর এতে মিলিত হন বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষরা। স্কন্দ পুরাণে লেখা আছে চৈত্র মাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে শতভিষা নক্ষত্র যোগ হলে সেই তিথি বারুণী নামে পরিচিত হয়। হিমালয় কন্যা গঙ্গার অপরনাম হলো বারুণী। তাই বারুণী স্নান এখানে গঙ্গা স্নানেরই প্রতিরুপ। তাই প্রতি বছর চৈত্র মাসে মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশীতে বারুণী স্নান ও গঙ্গা পূজা করা হয়। আগামী বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮ টায় পুষ্পাঞ্জলী শেষে সাঙ্গু নদীতে প্রতিমা বিসর্জন এর মাধ্যমে এবারের বর্ণাঢ্য আয়োজন সমাপ্তি ঘটবে।আশীর্বাদ সংঘ এর সভাপতি দয়াল চৌধুরী বলেন, প্রতি বছর মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশীর তিথিতে মহাপুণ্য লগ্নে গঙ্গা মায়ের পূজা ও বারুণী স্নান উপলক্ষ্যে আর্শীবাদ সংঘ বর্ণাঢ্য আয়োজন করে থাকে। এই পুণ্য তিথিতে গঙ্গাস্নান করলে মানবের সকল প্রকার পাপ মোচন হয়। তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল লোকজন এই গঙ্গা পূজা ও বারুণীস্নানে অংশ গ্রহণ করে জীব ও জগৎ এর মঙ্গল কামনা করেন। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায় ছাড়াও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শত-শত পূর্ণার্থীগণ সাঙ্গু নদীতে গঙ্গা মায়ের চরণে ভক্তি নিবেদন করে পুণ্য ও পাপ মুক্তি লাভের আশায় বারুণী স্নানে অংশ গ্রহণ করেন বলে জানান তিনি।

🖨️ প্রিন্ট নিউজচ্যানেল স্টাইল ফটো-কাট ব্যানার ডাউনলোড করুন
Download PhotoCut

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here