রাউজান (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
রাউজানে বিএনপি সমর্থিত দুপক্ষের মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে মুহাম্মদ কাউসার উজ জামান বাবলু (৩৬) নামে এক বিএনপির কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ । শুক্রবার ২৪ দিবাগত রাত ৪টার দিকে রাউজান পৌরসভার পূর্ব আইলি খীল খামার টিলা নামক স্থানে ও রাতে মাটি কাটার সময় এই ঘটনা ঘটে। নিহত বাবলু রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবুল নঈম সওদাগর বাড়ির আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র মতে, খামার টিলা এলাকায় নিহতের মামাতো ভাই পলিন ও বাবলুরা সহ আরও কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে অবৈধ ভাবে টিলা কেটে মাটি বিক্রি করে আসছিল। এর জের ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
তবে একটি সূত্র বলছেন, মাটি কাটার ঘটনার পাশাপাশি নিহত বাবলু বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে একটি বিশেষ বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করত সেই। অপর পক্ষের লোকজন অস্ত্র হাতে মোহড়া দেওয়ার একটি ভিডিও চিত্র মোবাইলে ধারণ করেছিল বাবলু। এ ভিডিও চিত্র প্রশাসনের বিশেষ বাহিনীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার আগে তাঁকে হত্যা করেছে পরিকল্পিত ভাবে।
প্রত্যক্ষদর্শী মাটি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ পলিন বলেন, শেষ রাতের দিকে ৫/৭ জনের অস্ত্রধারী পিছন থেকে গুলি করে হত্যা করে। আমি তাদেরকে ধরার চেষ্টা করলে তারা আমাকে মারধর করে আহত করে পালিয়ে যায়। সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করে বাবলুকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
অপর দিকে নিহতের বাবা আবুল কালাম সওদাগর দাবি করে বলেন, ‘ঘটনাস্থল হচ্ছে বাবলুর নানার বাড়ি। সেখানে দাওয়াত খেতে গিয়েছিল। রাতে ফেরার পথে তার পথরুদ্ধ করে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলে এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সাবের সুলতান কাজল বলেন, “দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। মোঃ নেজাম উদ্দিনের মতো একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে রাজনৈতিকভাবে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না। অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় রাজপথে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এবং এর দায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।”





